পৃথিবীর  ইতিহাসের সর্ববৃহৎ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং  প্রতিযোগিতার শুরু থেকে শেষ ! 

author (1)

Author:  Nazmul Hasan Antor
Batch : 47
Email: nazmul15-9762@diu.edu.bd

পৃথিবীর  ইতিহাসের সর্ববৃহৎ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং  প্রতিযোগিতার শুরু থেকে শেষ ! 

ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট (আইসিপিসি) একটি বহুজাতিক ও দল ভিত্তিক  প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। আইসিপিসিকে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতাগুলির “অলিম্পিক” হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৬ টি মহাদেশের ১১০ টিরও অধিক দেশের প্রায় ৩০০০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিযোগিরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

এটি সারা বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। আইসিপিসির সদর দপ্তর বেইলর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত এবং এর ছয়টি মহাদেশে এর স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল রয়েছে। বেইলর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উইলিয়াম বি. পাউচার এর পরিচালক।  বিগত বছর গুলোতে এ.সি.এম এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করলেও গত বছর থেকে   বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এর সৌজন্যে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এশিয়াতে ১৮টি সাইটে এই প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয় এবং ঢাকা সাইট তার মধ্যে অন্যতম। ঢাকা সাইটের প্রতি বছরের বিজয়ীরা ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশগ্রহণ করে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ত্ব করে। অন্যান্য সাইটের মতো ঢাকা সাইটেও  বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইসিপিসির আয়োজন করে থাকে।

IMAGE 2

Read More »

Advertisements

১১ তম টেক অফ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতাঃ সামার ২০১৯”

“টেক অফ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতাঃ সামার ২০১৯”

কম্পিউটার এবং প্রোগ্রামিং ক্লাব (ডিআইইউ সিপিসি) সিএসই বিভাগ সাথে নিয়ে ২৬ জুলাই ‘টেক অফ প্রোগ্রামিং কনটেস্ট সামার ২০১৯’ এর আয়োজন করে।

ডিআইইউ টেক অফ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতাটি প্রথম এবং দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় যাতে তারা তাদের বিশ্ববিদ্যালযয়ের জীবনের প্রথম থেকেই প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রামিংয়ের স্বাদ পেতে পারে। প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোত্তম ও দক্ষ কারিগর তৈরি করতে এবং প্রোগ্রামিংয়ে সঠিক ধারণা দেওয়ার জন্য এবং প্রোগ্রামিংয়ে তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহিত করার জন্য এই প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথি হোসেন আহমেদ (নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিইও, ব্যাংক এশিয়া), অধ্যাপক ড। সৈয়দ আক্তার হোসেন (বিভাগীয় প্রধান, সিএসই, ডিআইইউ), আবদুস সাত্তার (সহকারী অধ্যাপক, সিএসই বিভাগ, ডিআইইউ), শাহ মোঃ তানভীর সিদ্দিকী (সিনিয়র প্রভাষক, সিএসই বিভাগ, ডিআইইউ), সাইফুল ইসলাম (সিনিয়র প্রভাষক, সিএসই বিভাগ, ডিআইইউ), ফাহাদ ফয়সাল (সহকারী অধ্যাপক, সিএসই বিভাগ, ডিআইইউ), ফাহমিদা আফরিন (প্রভাষক, সিএসই বিভাগ, ডিআইইউ) এবং অন্যান্য অনুষদ সদস্য এবং সিপিসি সদস্যরা প্রতিযোগিতার সময় উপস্থিত ছিলেন। মোট ৩০৫ জন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে ১০৩ জন মেয়ে প্রোগ্রামার।Read More »

Stopper was stopped! Take-Off Programming Contest Summer-2018

press-3-e1532102279608.jpg
Author: Md. Hafizur Rahman Arfin
Press Secretary, DIU CPC
Batch: 43, CSE, DIU

Daffodil International University  Computer and Programming Club (DIU CPC) is organizing Take-off Programming Contest in every semester to create the best and skilled artisans in the field of programming for the last two years. For the past two years, this event has been organized 8 times! This program is only for the 1st and 2nd semester students.

IMG_2804.JPG
Contestants are busy with solving the problems at 8th Take-Off Programming Contest on 27th July, 2018

It is essential for the new students of the university to get the right idea of ​​programming at the very beginning of their university life. And to get inspired, motivated and encouraged to think about their future. Like every time, the DIU CPC has successfully hosted the 8th  Take-Off Programming Contest in 27th July, 2018. These types of encouraging programming events helped Daffodil International University to differentiate itself from other universities. This event was a great opportunity for students to acquire knowledge about programming as well as to meet senior programmers and programming enthusiast teachersRead More »

ড্যাফোডিল ICT Carnival’18 এর খুটিনাটি

IMG_5461.JPG
Author: নাজমুল হাসান অন্তর
Batch: 47, CSE
Email: nazmul15-9762@diu.edu.bd
Facebook: https://www.facebook.com/nazmul.antor.12

ড্যাফোডিল আইসিটি কার্নিভালের খুঁটিনাটি

IMG: ১।ICT-Carnival 2018  এর প্রাণোচ্ছল সূচনা

দেশকে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষরূপে  গড়ে তুলতে ড্যাফোডিল পরিবার সূচনা লগ্ন থেকে কাজ করে আসছে। তারই প্রেক্ষিতে ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান এর উদ্যোগে এই প্রথমবারের মতো বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় দিন ব্যাপী ড্যাফোডিল আইসিটি কার্নিভাল। প্রায় দশ  হাজার ছাত্রছাত্রী,শিক্ষকশিক্ষিকা আইসিটি বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে ১১ই ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ তারিখ থেকে ১৩ই ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত ড্যাফোডিলের আশুলিয়া

ক্যাম্পাসে আয়োজিত হয় “ড্যাফোডিল আইসিটি কার্নিভাল ২০১৮”।

বর্তমান বিশ্বে উন্নয়নের অন্যতম উপাদান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি। বিশ্বের অন্যান্য দেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটিকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছে, তার তুলনায়  বাংলাদেশ এখনো অনেকটাই ধীরগতিসম্পন্ন । সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আইসিটির গুরুত্ব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এখন পৃথিবীতে আইসিটিবিহীন ভবিষ্যত্ কল্পনা করাও অসম্ভব। তাই দেশের জাতীয় কর্মসূচিতে এ প্রযুক্তিকে সম্পৃক্ত করতে সবার আগে যেটা প্রয়োজন সেটা হলো নতুন প্রজন্মকে উৎসাহ ও সঠিক শিক্ষা প্রদান। শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য  হলো শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদান করে তাদেরকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা। শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভূক্ত করা হয় আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা।

IMG: ২.ICT Carnival 2018 টেক অফ বুলেটিন এর প্রথম প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন।

১১ই ফেব্রুয়ারী, ২০১৮  তারিখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে ড্যাফোডিল বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান ড.মোঃ সবুর খান ৩ দিন ব্যাপী  এই আইসিটি কার্নিভালের উদ্বোধন  করেন। উদ্বোধনী  বক্তব্যে তিনি বলেন –
“The future world will belong  to information technology, so it is quite impossible to sustain in that future world without enhancement of knowledge of ICT.  “

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ICT CARNIVAL এর আহব্বায়ক এবং ড্যাফোডিল পরিবারের সি.ই.ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। উক্ত অনুষ্ঠানটি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম,সহ- উপাচার্য ড. এস এম মাহবুবুল হক মজুমদার, ট্রেজারার মোঃ হামিদুল হক খা্ন,  সি.এস.ই ডিপার্টমেন্টের প্রধান প্রফেসর ড. সৈয়দ আখতার হোসেন, সফটওয়্যার ডিপার্টমেন্টের প্রধান প্রফেসর ড. তৌহিদ ভূইঁয়ান, MCT ডিপার্টমেন্টের প্রধান, সহকারী অধ্যক্ষ শেখ মোহাম্মদ আলেয়ার ও CIS ডিপার্টমেন্টের প্রধান সারওয়ার হোসেন দ্বারা পরিচালিত হয়।

১১ই থেকে ১৩ই ফেব্রুয়ারী এই তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত হয় এই কার্নিভাল যা সাজানো হয় অর্ধশতাধিকেরও বেশি ইভেন্ট কনটেস্ট নিয়ে। তিনদিন ব্যাপি এই  কার্নিভালের পুরস্কার হিসেবে দশ লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়। এই তিনদিনের জমজমাট ইভেন্টগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল Project showcase,Smart Hackathon,Programming contest, Fun events, Learning opportunity, Networking scope, Motivational sessions,Graphics art contest,Suduko contest, IT Olympiad, Businesses idea contest, Cyber security and Bangladesh, Mobile app idea contest, I google talk, Gaming contest,Virtual gaming corner, Digital Bangladesh and career, Motion graphics, Big data,Tech business, SEO,Award and closing ceremony ইত্যাদি।

 

IMG3: প্রোজেক্ট কমিটির সাথে ICT-Carnival 2018 এর প্রোজেক্ট শোকেস ডঃ মোঃসবুর খান, চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ, ডি আই ইউ

প্রত্যেকটি ইভেন্ট ছিল জমজমাট, আকর্ষণীয় ও শিক্ষণীয়। প্রায় দশ হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ এবং দেশ বরেণ্য শিক্ষাবীদ ও প্রফেসরগণদের উপস্থিতি কার্নিভালে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। কার্নিভালে অংশগ্রহনকারী সকল শিক্ষর্থীদের জন্য ছিল খাবা্রের ব্যবস্থা, এছাড়াও  শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল ধানমন্ডি থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত যাতায়াতের সুব্যবস্থা এবং কার্নিভালের অংশগ্রহণকারী সবার জন্য  ছিল কিট। পুরো আয়োজনটিকে সু্ষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার পিছনে ছিল ড্যাফোডিল ইন্টারনেশনাল ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের লেকচারার জনাব সাইফুল ইসলাম স্যার সহ কতিপয় প্রভাষকের নির্দেশনায় পরিচালিত একাধিক ডিপার্টমেন্ট এর  প্রায় তিন শতাধিক ভলান্টিয়ারের অক্লান্ত পরিশ্রম আলাদা আলাদা প্রত্যেকটি ইভেন্ট পরিচালনার জন্য ও অংশগ্রহনকারী ছাত্র শিক্ষকদের সার্বিক সহযোগীতার জন্য ভলান্টিয়াররা ছিল সদা  প্রস্তুত ।

 

.Self-Driven Rickshaw পর্যবেক্ষণ করছেন চেয়ারম্যান  ডঃ মোঃসবুর খান এবং  ভাইস চ্যান্সেলর .ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম।

প্রথম দিনের ইভেন্ট গুলোর মধ্যে আকর্ষনীয় ছিল Project showcase, Learning to Learn  contest , Graphicss Art contest, Mobile app idea contest  ইত্যাদি।  CSE, MCT, SWE, CIS ডিপার্টমেন্ট এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ৩৫ টির মতো আলাদা আলাদা  প্রজেক্ট নিয়ে শিক্ষার্থীরা  উপস্থিত হয়।

চেয়ারম্যান,  উপাচার্য ,সহ-উপাচার্য,  ডিপার্টমেন্ট প্রধান ও  শিক্ষক-শিক্ষিকারা  উপস্থিত থেকে সব গুলো প্রোজেক্ট প্রদর্শন  করেন।  গেমিং কন্টেস্ট ছিল সবচেয়ে বেশি জমজমাট ও আকর্ষনীয়। বেলা ১১ টায় স্বাধীনতা মিলনায়তনে প্রায় ৩০০ টি টিম নিয়ে শুরু  হয় Learning to learn  contest এবং MCT ডিপার্টমেন্ট এর সার্বিক সহযোগীতায় প্রায় ১৬০ জন প্রতিযোগী নিয়ে  AB  বিল্ডিং এ শুরু  হয়  Graphics Art contest।

দুপুরের খাবার বিরতির পর শুরু হয় চেয়ারম্যান ড.মোঃ সবুর খান এর মোটিভেশনাল সেশন। উক্ত সেশনে স্যার  বাংলাদেশের জব মার্কেট নিয়ে শিক্ষর্থীদের প্রতি  গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেন ।  বেকারত্ব ,  শিক্ষর্থীদের দুর্বলতা, কি করলে চাকরী ক্ষেত্রে  নিজের চাহিদা বাড়ানো যাবে ইত্যাদি নানা দিক নিয়ে কথা বলেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। স্যারের সেশন এর পর শুরু হয়  জমজমাটপূর্ণ টেক ফ্যাশন শো। সেখানে ছাত্র/ছাত্রীরা  বিভিন্ন রকম প্রযুক্তি নিয়ে আসেন সকলের সামনে।

এছাড়া আরো ২০ টিরও অধিক ইভেন্ট প্রথম দিন পরিচালিত হয়। ছাত্রছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইভেন্ট গুলোতে অংশগ্রহন করে এবং তুমুল প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে একে অপরকে পরাজিত করে ।  এর মাধ্যমেই শেষ হয় কার্নিভালের প্রথম দিন।

 

IMG: ৫.প্রোগ্রামিং কন্টেস্টে সুচনা বক্তব্য রাখছেন প্রধান অতিথি .কায়কোবাদ

দ্বিতীয় দিন বেলা ১১:৩০ ঘটিকায়  প্রায় দুইশতাধিক ছাত্রছাত্রী  নিয়ে শুরু হয় প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট। বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের সি.এস.ই ডিপার্টমেন্টের বিভাগীয় প্রধান .মো. কায়কোবাদ এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।  স্যারের বক্তব্যে উঠে আসে বাংলাদেশ কিভাবে পাশ্ববর্তী দেশ ভারত,শ্রীলংকা, মায়ানমার থেকে মেধায় এগিয়ে। কিন্তু তিনি আক্ষেপ

প্রকাশ করে বলেন,

“আমাদের দেশের ছাত্রছাত্রীরা মেধার বিকাশে পরিশ্রম করে না বলে তারা পিছিয়ে পড়ছে

উক্ত প্রতিযোগিতায় আরও উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান  ড. সবুর খান, উপাচার্য ড.ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম,ট্রেজারার মোঃহামিদুল হক খান,  প্রফেসর ড. সৈয়দ আখতার হোসেন স্যার সহ আরো অনেক শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ। ড.কায়কোবাদ এর হাতে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন ড. সবুর খান স্যার।

ড.সবুর খান তার সেশনে  মডার্ন প্রজেক্ট এবং রিসার্চ নিয়ে কথা বলেন।কিভাবে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের বানানো প্রজেক্ট মার্কেটে নিয়ে আসতে পারে এ ব্যাপারে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিভিন্ন উপদেশ দেন।

 

IMG: ৬.প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট এর আমন্ত্রিত অতিথি ডঃ কায়কোবাদ  এর হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন ডঃ মোঃ সবুর খান।

এছাড়াও দ্বিতীয় দিনের অন্যান্য  ইভেন্টগুলোর মধ্যে ছিল Project showcase, Virtual gaming, Business idea contest, Motion graphic contest ইত্যাদি। দ্বিতীয় দিন সাজানো হয় প্রায় ২০টির মতো ইভেন্ট নিয়ে। প্রায় ছয় হাজারের মতো শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল দ্বিতীয় দিনে এবং প্রথম দিনের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন কন্টেস্ট এ অংশগ্রহন করে। দ্বিতীয় দিনের  অন্যতম মজার পর্ব ছিল Fun event ও সবুর খান স্যারের Motivational session। এর পরপরই স্টেজে আসেন CSE ডিপার্টমেন্ট এর প্রধান সৈয়দ আখতার স্যার, Student Affairs এর প্রধান রাজু স্যার। টুম্পা ম্যামের পরিচালনায় আয়োজন করা হয় এক আকর্ষণীয় টক-শো। বিকাল ৫.০০ টার দিকে শেষ হয় দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম।

 

ছবি ৭. Battle of brain is going on.

ছবি ৮.ভার্চুয়াল রিয়ালিটি গেমিং এর স্বাদ নিচ্ছেন .কায়কোবাদ

 

সমাপণী দিন সাজানো হয় প্রায় ২০ টি কন্টেস্ট ও সেমিনার নিয়ে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল Programming contest-2, Project showcase,Graphic design, SEO contest ইত্যাদি। সেমিনারগুলোর মধ্যে ছিল Applied Research and ICT, Innovation projects and Initiatives of A2I ও ICT Business Incubation।  বিকাল ৩ টায় শুরু হয়   Award and Closing ceremony।  সমাপণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশ বরেণ্য বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও গণ্যমান্য  ব্যাক্তিগণ ড্যাফোডিল ফ্যামিলির চেয়ারম্যান ড.মোঃ সবুর খান, উপাচার্য প্রফেসর ড.ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক এস এম মাহাবুবুল হক মজুমদার ,ট্রেজারার মোঃ হামিদুল হক খা্ন. CSE,SWE,MCT,CIS,DIIT  ডিপার্টমেন্টের  প্রধানগণ ও শিক্ষক-শিক্ষীকাগণ।

 

ছবি ৯.প্রতিযোগীতা টা হাড্ডাহাড্ডি হোক সেটা বুদ্ধির, হোক সেটা রেসিং।

সমাপনী বক্তব্যে বক্তারা তিন দিন ব্যাপী আয়োজিত কার্নিভালের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন এবং শিক্ষার্থীদের সামনের দিনগুলিতে এ আরও ভালো কিছু করার জন্য শুভ কামনা ব্যক্ত করেন ও বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।শিক্ষক -শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আয়োজন করা হয় এক জমজমাটপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর মধ্য দিয়েই সফলভাবে শেষ হয় তিন দিন ব্যাপী আয়োজিত “Daffodil  ICT Curnival 2018″।

 

ছবি ১০.বিজয়ীদের বিজয়গাথা বলে দেয় ICT-Carnival 2018 এর স্বার্থকতা

ছবি ১১. Award Giving ceremony তে আমন্ত্রিত অতিথিরা

গত ১১ ই মার্চ বিজয়ীদের নিয়ে ড্যাফোডিলের আশুলিয়া ক্যাম্পাসের GREEN GARDEN RESTAURENT -এ অনুষ্ঠিত হয় AWARD GIVING NIGHT।সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান  , উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম,সহ- উপাচার্য ড. এস এম মাহবুবুল হক মজুমদার,ট্রেজারার মোঃহামিদুল হক খা্ন,  সি এস ই ডিপার্টমেন্টের প্রধান প্রফেসর ড. সৈয়দ আখতার হোসেন,SWE ডিপার্টমেন্টের প্রধান প্রফেসর ড. তৌহিদ ভূইঁয়া, MCT ডিপার্টমেন্টের প্রধান ও সহকারী অধ্যক্ষ শেখ মোহাম্মদ আলেয়ার ও CIS ডিপার্টমেন্টের প্রধান সারওয়ার হোসেন সহ আমন্ত্রিত অতিথিরা ও অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

ছবি ১২.১. এবং ১২.২ Award Giving Ceremony তে  বক্তব্য রাখছেন ডঃ . মোঃ সবুর খান এবং প্রফেসর .আখতার হোসেন

 

 

বক্তারা তাদের বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাবে ক্রমবর্ধমান পরিবর্তেনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বিকাশ করা ও শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অসীম সম্ভাবনা সম্পর্কে অবগত করে বিশ্বের জ্ঞান ও তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশের দরজা উম্নুক্ত করে দেওয়ার জন্য এইরকম ইভেন্টের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।বক্তব্য শেষে বিজয়ীদের হাতে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার তুলে দেন ।

ছবি ১৩.Award Giving Ceremony certificate হাতে বিজয়ীরা আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে

ছবি ১৪.ICT-Carnival 2018 এর Award Giving Night কার্নিভাল এর অনুভূতি প্রকাশ করছেন  award প্রাপ্ত শিক্ষার্থী মেহেদি ইমাম সাফী।