৪র্থ শিল্প বিপ্লবঃ Industry 4.0

IMG_20190212_001112.jpg

রাফিদুল হাসান
সিএসই ৫০ ব্যাচ, এ সেকশন

 

সর্বপ্রথম ১৭৮৪ সালে বাস্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের মধ্যে দিয়ে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সুচনা ঘটে। ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মধ্যে দিয়ে পা দেয় দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবে এবং এরও প্রায় ১০০ বছর পরে এসে ইন্টারনেট আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তৃতীয় শিল্প বিপ্লব। বর্তমান সময়ে জীবনযাত্রার মানকে ১০০ বছর সামনে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে যে বিপ্লব সেটিই হলো চতুর্থ শিল্প বিপ্লব। এর আগে ঘটে যাওয়া তিনটি বিপ্লবই ছিলো মূলত যান্ত্রিক বিপ্লব। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হচ্ছে ডিজিটাল বিপ্লব। বর্তমানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুর হলেও এর পাশাপাশি আমরা দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্প বিপ্লবের পূর্ণ সুবিধা ভোগ করছি। যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনকে করে তুলছে সহজ থেকে সহজতর। বিশ্বব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন একদিনে বিশ্বে ২০ হাজার ৭০০ কোটি ই-মেইল পাঠানো হয়, গুগলে ৪২০ কোটি বিভিন্ন বিষয় স¤পর্কে খোঁজ করা হয়। এক যুগ আগেও তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে এ পরিবর্তনগুলো ছিলো অকল্পনীয়। আগামী ১০ বছরেও ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে আমরা এমন ধরণের পরিবর্তনের সম্মুক্ষীন হবো যা বিগত অর্ধশতকে কল্পনাও করা হয়নি।

Read More »

Advertisements

পাইথন নিয়ে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগীতা!

Author

সুদীপ্ত দাশ
ব্যাচ ৫০, সিএসই

গত ১২ই এপ্রিল কম্পিউটার ও প্রোগ্রামিং ক্লাবের এর উদ্যোগে পাইথন প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট ০.১  আয়োজন করা হয়। কন্টেস্টের প্রতিযোগিরা ছিলেন শুধুমাত্র বিট পাইথন ০.১ কোর্সে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা।  সেমিস্টারব্যাপি এই পাইথন কোর্সটিও ছিল সিপিসির রিসার্চ ও জার্নাল উইং এর উদ্যোগে। যদিও কোর্স চলাকালীন আমাদের কারোরই ধারনা ছিল না যে এই ল্যাংগুয়েজের উপর একটি প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট আয়োজন হতে পারে। বিট পাইথনের শেষ কিছু ক্লাসে কন্টেস্টের বিষয়ে আলোচনা হয়।

অনেকের মতামত এবং অনেক পরিকল্পনার পর সিদ্ধান্ত হয় ১২ই এপ্রিল কন্টেস্ট আয়োজিত হবে। ১২ তারিখ দুপুর দেড়টার মধ্যে কন্টেস্টের জন্য প্রায় সবাই উপস্থিত হয় সিএসই বিল্ডিং এ। বেলা ২ টার দিকে কন্টেস্ট শুরু হয়। কন্টেস্টের প্লাটফর্ম হিসেবে “হ্যাকার র‌্যাঙ্ক” ব্যবহার করা হয়। আগে থেকেই এই প্ল্যাটফর্মে প্রব্লেম-সলভিং এর কারনে হ্যাকার র‌্যাঙ্কের সাথে আগে থেকেই ভালো ভাবে পরিচিত ছিলাম।

Read More »

টিউরিং পুরস্কার – কম্পিউটারের নোবেল বলা হয় যাকে!

 

69516942_2228609633917692_2609261420516212736_n.jpg

কানিজ ফাতেমা,
৪৯ ব্যাচ

 

টিউরিং পুরস্কার – কম্পিউটারের নোবেল বলা হয় যাকে!

1
(চিত্র ১-টিউরিং)

১৯২৬ সালের একদিন। যুক্তরাজ্যে সেদিন সাধারণ ধর্মঘট চলছে। কিন্তু সেদিন ছিল ১৪ বছর বয়সী অ্যালান টিউরিং এর শেরবর্ন স্কুলে প্রথম দিন। নাছোড়বান্দা টিউরিং এই ধর্মঘট এর মধ্যেও প্রায় ৯৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে স্কুলে পৌঁছান।

অসম্ভব মেধাবী টিউরিং এর মগ্নতা ছিল গণিত ও বিজ্ঞানে একই সাথে ক্রিপ্টোগ্রাফি তে । ১৯৩৬ সালে তিনি “টিউরিং যন্ত্র” নামে একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন। এটি আদতে কোন বস্তুগত যন্ত্র নয়, বরং কাগজে কলমে লিপিবদ্ধ কিছু কর্মনীতি বলা যায়। এই বিশেষ যন্ত্রই আধুনিক কম্পিউটারের অন্যতম ভিত্তিমূল।
২২ বছর বয়সে টিউরিং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংস কলেজ থেকে গনিতে স্নাতক হন । যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। ওই বছরই যুক্তরাজ্যে ফিরে আসেন। কিছুদিন পরই শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। জার্মানদের গুপ্ত সংকেত এর মানে উদ্ধার করতে গিয়ে ব্রিটিশদের নাকাল অবস্থা। জার্মান নৌবাহিনীর গুপ্ত সংকেত এর মানে কিছুতেই উদ্ধার করা যাচ্ছিলো না। এমন অসহায় সময়ে এগিয়ে এলেন টিউরিং। তিনি “বম্বি” নামের এক বিশেষ যন্ত্র আবিষ্কার করেন। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় টিউরিং ব্লেচলি পার্কে অবস্থিত কোড এন্ড সাইফার স্কুলের জন্য কাজ করতেন। এই গোপন সংকেত বিশ্লেষণে টিউরিংRead More »

বিগিনার প্রোগ্রামাদের জন্য কিছু পরামর্শ!

author (1)
সারাবান তাসনিম শারিন
ব্যাচ ৪৭, সিএসই

বিগিনার প্রোগ্রামার হিসেবে আমরা প্রায়ই কিছু ভুল করে থাকি। বিগিনার হিসেবে এগুলো খুবই স্বাভাবিক কিছু ভুল কিন্তু সময় থাকতেই আমাদের ভুলগুলো শুধরে নেওয়া উচিত। তাই আপনাকে সচেতন করতে ও ভুলগুলো এড়াতে কিছু পয়েন্ট দেয়া হল।

পরিকল্পনা ছাড়া কোড লেখাঃ
ভাল মানের কোডার এবং ভাল মানের কোড একদিনেই তৈরি হয়না। এটি একটি প্রবহমান প্রক্রিয়া। যেটা সম্পন্ন হয় চিন্তা, গবেষণা, যাচাই এবং পরিবর্তন করার মাধ্যমে। দুর্ভাগ্যবশত এর কোন বিকল্প নেই। আপনাকে অবশ্যই এসব কাজের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বিগিনার প্রোগ্রামার হিসেবে আমরা প্রায় যে ভুলটি করি তাহলো আমরা যথেষ্ট চিন্তা এবং গবেষণা ছাড়াই কোড লিখে ফেলি। এটি একটি ছোট স্ট্যান্ড-এ্যালন এপ্লিকেশন এর জন্য কাজ করতে পারে কিন্তু কোন বড় এপ্লিকেশন এর জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেমন কিছু বলার আগে আপনার একবার ভেবে নেওয়া উচিত যেন আপনাকে পরে অনুশোচনা না করতে হয় তেমনি কোড করার আগেও আপনার একবার ভেবে নেওয়া উচিত। কেননা কোডও আপনার চিন্তাধারা প্রকাশের একটি মাধ্যম। প্রোগ্রামিংয়ে বেশির ভাগই হচ্ছে পূর্ববর্তী কোডটি পড়া, কি প্রয়োজন সেটা নিয়ে গবেষণা করা এবং সে অনুযায়ী পরিবর্তন করা। পুরো প্রক্রিয়ার মাত্র ১০% হচ্ছে কোড লেখা।তাই শুধু কোড লেখাকেই প্রোগ্রামিং মনে করবেন না। প্রোগ্রামিং একটি যুক্তি ভিত্তিক সৃজনশীলতা যা পরিচর্যার প্রয়োজন।

Read More »

টেক-অফ তো করলাম। এরপর কি করবো?

author.jpg
Mehedi Hasan Shesher
Batch: 47 (CSE)

১. টেক-অফ তো করলাম। এরপর? IMAGE 1.jpg
টেক-অফকে আপনি একটা দরজার সাথে তুলনা করতে পারেন। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে, এটা কিসের দরজা? এটা ড্যাফোডিলের প্রোগ্রামিং কমিউনিটিতে প্রবেশের দরজা। এই দরজার অপর পাশে আধপনাকে স্বাগত জানানো হয় একটি এডভান্স ক্যাম্পের মাধমে। যেখানে আপনাদের প্রোগ্রামিং এর পরবর্তী ধাপের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। ক্যাম্পের ক্লাসগুলোতে আপনাদের জন্য ট্রেইনার হিসেবে ড্যাফোডিলেরর সেরা প্রোগ্রামার ভাইয়া ও আপুরা থাকছেন। প্রতিটি ক্লাস শেষে থাকছে প্রাক্টিস কন্টেস্ট। তাই নতুন নতুন শেখার সাথে সাথে সেটার প্রাক্টিসও হয়ে যাচ্ছে।
২. এডভান্স ক্যাম্প ও করলাম। এরপর?

IMAGE 2
Blue Sheet. আমাদের কমিউনিটির প্রোগ্রামারদের ৩ টি ডিভিশনের ভাগ করা হয়; ১.Green, ২.Blue , ৩.Red। যারা প্রোগ্রামিং এ নতুন, তাদের Blue ডিভিশনে রাখা হয়েছে। Blue ডিভিশন থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রবলেম সলভ করে Red ডিভিশনে আসতে হয়। আর Blue ডিভিশনের প্রাক্টিস ট্রেস করার জন্য একটি ট্রেকারও আছে। Blue ডিভিশন পার করার পর আপনার জন্য আছে Red ডিভিশন।

Read More »